১১ দলীয় জোট গঠনের পর পুরোনো শরিকদের আসন থেকে কিছু ছাড় দিতে অনুরোধ করেছিল জামাত
প্রতিনিধির নাম :
-
প্রকাশিত:
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
-
১
বার পড়া হয়েছে

মোঃ আবু ছালেহ বিপ্লব, বরিশাল বিভাগীয় ব্যুরো চীফ
১১ দলীয় জোট গঠনের পর পুরোনো শরিকদের আসন থেকে কিছু ছাড় দিতে অনুরোধ করেছিল জামাত। এনসিপি, এবি, এলডিপির জন্য ইসলামী আন্দোলনের ভাগ থেকে ১২-১৩টি আসন দিতে বলা হয়েছিল। তাতে তারা রাজি হয়নি। জামায়াত শেষ পর্যন্ত হাতপাখাকে ৪৫টি আসন ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু তারা ৬৫ থেকে ৭০টি আসনের দাবিতে অনড়, যা জামাতের পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়।জামাতের মতামত হল, ইসলামী আন্দোলন সাংগঠনিকভাবে গোছানো হলেও সারাদেশে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ জনসমর্থন রয়েছে। সে তুলনায় অনেক বেশি আসন ছাড়া হয়েছে। জামায়াতের জরিপ অনুযায়ী, এনসিপির জনসমর্থন ৭ শতাংশ। দলটিকে দেওয়া হয়েছে ৩০ আসন, যা তারা মেনে নিয়েছে। এ অবস্থায় ইসলামী আন্দোলন চলে গেলে বাংলাদেশ খেলাফত, এনসিপিকে নিয়ে জামায়াত নির্বাচনে অংশ নেবে। প্রয়োজনে মামুনুল হকের দলকে আরও কিছু আসন ছাড়বে।কিন্তু সমস্যা তাও থেকে যাচ্ছে। মামুনুল হকের খেলাফত মজলিস বলেছে তারা জোটে থাকলে ইসলামি আন্দোলনের সাথেই থাকবে, নয়তো না।নির্বাচনে ২৭৬ আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এনসিপির জন্য ৭, বাংলাদেশ খেলাফতের জন্য ৮, খেলাফত মজলিসের জন্য ৪, বিডিপি ও এবি পার্টির জন্য দুটি করে ও এলডিপির জন্য একটি আসনে প্রার্থী দেয়নি জামায়াত।যদি ইসলামি আন্দোলনের সাথে মামুনুল হক নতুন করে জোট গড়ে তাহলে ৮ আসনে জামাত-এনসিপি জোটের কোনো প্রার্থী থাকবে না।
সংবাদটি শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন