বাকৃবিতে বিএসপিএসটির ৪র্থ জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন
প্রতিনিধির নাম :
-
প্রকাশিত:
শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
-
৬
বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: মো. আল-আমীন আহমেদ, ময়মনসিংহ।
বাংলাদেশ সোসাইটি অব প্লান্ট সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (BSPST) আয়োজিত সংগঠনটির ৪র্থ জাতীয় সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার (২৯ নভেম্বর ২০২৫) বেলা ১২টায়। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।
এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই কৃষির জন্য উদ্ভিদ বিজ্ঞান’, যা উদ্ভিদ বিজ্ঞানের অগ্রগতির মাধ্যমে টেকসই কৃষি ও জলবায়ু অভিযোজন বিষয়ক গবেষণায় সমন্বিত অঙ্গীকারকে সামনে নিয়ে আসে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসপিএসটির সভাপতি ও শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী প্রফেসর ড. সাদিয়া আরেফিন জুথী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাকৃবির ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর এবং সংগঠনের মহাসচিব ড. মো: আব্দুল বাসেত মিয়া। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাকৃবির প্রফেসর ও সংগঠনের সাবেক সভাপতি ড. মো: সোলায়মান আলী ফকির।
অনুষ্ঠানে উদ্ভিদ বিজ্ঞান গবেষণা ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ৪ জন গুণী ব্যক্তিকে স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়। আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মো: হাবিবুর রহমান প্রামাণিক আয়োজন সফল করার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন,
“উদ্ভিদই আমাদের বেঁচে থাকার মূল ভিত্তি। বিশুদ্ধ অক্সিজেন, খাদ্য, ছায়া, কাঠসহ জীবনের প্রয়োজনীয় অসংখ্য উপকরণ আমরা উদ্ভিদ থেকেই পাই। অথচ দেশে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সবচেয়ে কম আলোচিত হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
তিনি বলেন, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিষয়ে গবেষণা ও প্রয়োগভিত্তিক কাজ সম্প্রসারণ এখন সময়ের দাবি। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ‘প্ল্যান্ট সেক্টর’ নিয়ে একটি সময়োপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিদেশে বোটানিক্যাল গার্ডেনে সরকারের ব্যাপক বিনিয়োগের ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গবেষণায় উৎসাহিত হয়।
শেষে তিনি সোসাইটির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
উল্লেখ্য, সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এবং পিএইচডি ও এম.এস পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
সংবাদটি শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন