বিজ্ঞান, বিশ্বাস, ধর্ম ও রাজনীতি: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত
প্রতিনিধির নাম :
-
প্রকাশিত:
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
-
১
বার পড়া হয়েছে

মো: খলিলুর রহমান, ঢাকা।
বাংলাদেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও দার্শনিক বাস্তবতায় বিজ্ঞান, বিশ্বাস, ধর্ম ও রাজনীতির সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন চিন্তক মো. খলিলুর রহমান। তাঁর মতে, মানুষের জীবন সাফল্য মূলত নির্ভর করে কর্ম কৌশল উদ্ভাবন ও তার যথাযথ প্রয়োগের উপর।তিনি বলেন, ধর্ম, কর্ম ও বিজ্ঞান পরস্পর মানব জীবনে সাংঘর্ষিক নয়। বরং এই তিনটি উপাদান একে অপরের পরিপূরক। প্রচলিত ধারণার বিপরীতে তিনি উল্লেখ করেন—ধর্ম শুধু কিছু নীতিকথা, প্রবাদ, আচার কিংবা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ধর্ম প্রাচীন হলেও তা অতীত নয় এবং এটি কেবল রক্ষণশীলতা লালনকারী বা প্রগতিশীলতার বিরোধী কোনো শক্তিও নয়।মো. খলিলুর রহমানের ব্যাখ্যায়, ধর্ম একটি আদর্শ ও নীতিমালাভিত্তিক জীবনপ্রণালীর মৌলিক ও অলঙ্ঘনীয় প্রতিশ্রুতি প্যাকেজ। যেখানে স্রষ্টার একত্ব, মহত্ব এবং অতুলনীয় গুণাবলীর নিঃশর্ত স্বীকারোক্তি ও প্রতিপালন অপরিহার্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই; বরং এরা পরস্পর গভীরভাবে ও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত।তার ভাষায়, “ধর্ম হলো বিশ্বাস, আর বিজ্ঞান হলো সেই বিশ্বাসের প্রতিফলন।”বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন—দেশের শাসনের মৌলিক নীতি কি গণতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র নাকি আমলাতন্ত্র? তাঁর বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাস্তবে এসবের কোনোটিই এককভাবে কার্যকর নয়। বরং দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘ব্যক্তিতন্ত্র’, যার মূল চালিকাশক্তি প্রতিহিংসা। তিনি আরও বলেন, শাসকগোষ্ঠী ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মধ্যে এক ধরনের গভীর ইহলৌকিক সখ্যতা বিদ্যমান, যা সাধারণ জনগণ আদৌ উপলব্ধি করতে পারছে কি না—সে প্রশ্নও তিনি উত্থাপন করেন। এই লেখার মাধ্যমে ধর্ম, বিজ্ঞান ও রাজনীতির আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন লেখক।
রচয়িতা: মো. খলিলুর রহমান
সংবাদটি শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন